ট্রান্সজেন্ডার পরিক্ষাঃ
শিয়াল আসিয়া মুরগির পাশে বসিয়া খিল খিল করিয়া হাসিয়া কহিতে লাগিলোঃ
"ওহে মুরগি,
আমি তো শিয়াল তবে মনে মনে আমি তোমার মতই পাখি
তোমার পাশে থাকিতে চাই ওগো মোর আখি।"
মুরগি বড্ড চালাক
সে চাহিলো শিয়াল কে একটু পরিক্ষা করিয়া লই।
মিষ্টি সূরে মুরগি কহিলোঃ
"ওগো পরানে শেয়াল
হাসি ভরা তোমার চোয়াল,
যদি তুমি হও মুরগি আর হইতে চাও মোর সখী,
বাহির করো একটা ডিম পশ্চাত হইতে,আমি তাহা দেখি।"
শিয়াল তো আর পারিলো না ডিম আনিতে তার পশ্চাত হইতে।
মুরগিরও আর থাকা হইলো না সেই শেয়াল মামার সাথে।"
বাবা তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে গল্প খানা শুনাইলেন।
মেয়েটা খিল খিল করিয়া হাসিয়া দিলো।
বাবা তার মেয়ের মাথায় হাত রেখে বললোঃ
"শোনো মা গল্প টা বলার একটাই কারন।"
মেয়েটা তার বাবাকে জিজ্ঞেস করলোঃ
"কি কারন"?"
বাবা বললোঃ
"সব জোয়ার বাধে আটকানো যায়না তবে নিরাপদ স্থানে গিয়ে নিজেদের বাচাতে হয়।"
মেয়েটা বললোঃ
"যেমন?"
বাবা বললোঃ
"গাছ নয় বরং গাছের ফলকে এমন ভাবেই সংরক্ষণ করো যাতে শিয়াল ফল খেতে এসে ফল হাতে ধরতে না পেরে আফসোসের সাথে বলে, "আঙুর ফল টক, আমি খাইনা" আর স্থান হতে প্রস্থান করে।"
মেয়েটি তখনো কিছু বুঝেনি।
বাবা বললোঃ
"বাংলাদেশে ট্রান্সজেন্ডার নামক এক দল শেয়ালের আবির্ভাব হয়েছে।জানিনাহ তাদের উদ্দেশ্য কি। তবে মা তোমাদের সাবধানে থাকতে হবে।
যদি কখনো কেউ ট্রান্সজেন্ডার নাম দিয়ে এসে বলে "আমি ছেলে হলেও মনে মনে একজন মেয়ে। তোমার সাথে বন্ধু হতে চাই, থাকতে চাই, এক সাথে বসতে চাই।"
তবে তুমি তাকে পরিক্ষা করো আর বলো,
"আচ্ছা তোমার মাসিক হয়?"
দেখবে এখানেই সে আটকিয়ে যাবে। তবে সে মেয়ে নয়।
নিজেকে এমন ভাবেই সংরক্ষণ করো যাতে শিয়ালের মত তারা আফসোস করে আর শেষে বলেঃ
"নাহ আমি
ট্রান্সজেন্ডার নই।
